নেপাল শেষ পর্যন্ত যুক্ত হলে বাংলাদেশের জন্য গ্রুপটি সহজ থাকবে না। সামপ্রতিক সময়ে সাফের মঞ্চে নেপালের বিপক্ষে ভুগতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ২০২১ আসরে শেষ ম্যাচে নেপালের সঙ্গে ড্র করায় ফাইনালে উঠতে পারেনি লাল-সবুজরা। আর ২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আসরে গ্রুপের প্রথম দুই ম্যাচে জয় পাওয়ার পরও শেষ ম্যাচে নেপালের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশকে। আয়োজক হিসেবে ঘরের মাঠের সুবিধা পেলেও শ্রীলঙ্কাকে হালকাভাবে নেয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়ে দলটির শক্তি বেড়েছে। যার প্রতিফলন দেখা গেছে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে। ফলে হামজা চৌধুরীদের জন্য শুরু থেকেই কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। এবারের আসরে অংশ নেবে ছয়টি দল। প্রতিটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার পল্টনস্থ জাতীয় স্টেডিয়ামে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। শীর্ষ দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে। ক্রস গ্রুপ নিয়মে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ খেলবে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে, আর ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপের প্রতিপক্ষ হবে ‘এ’ গ্রুপ-চ্যাম্পিয়ন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। যারা এ পর্যন্ত রেকর্ড নয়বার শিরোপা জিতেছে। এ ছাড়া মালদ্বীপ দুইবার এবং শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান একবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০০৩ সালে নিজেদের মাটিতে একমাত্র শিরোপাটি জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর কেটে গেছে ২৩ বছর, শিরোপার স্বাদ আর পাওয়া হয়নি। আট বছর পর আবার ঢাকায় ফিরছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। আগামী ৪ঠা থেকে ১৭ই নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই আসরে ঘরের মাঠ ও দর্শক-সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিনের শিরোপা-খরা কাটাতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশ
