উল্লেখ্য, ‘ভানাক্কম’ তামিল ভাষার একটি সম্ভাষণ। বাংলায় এর অর্থ নমস্কার, প্রণাম বা প্রসঙ্গভেদে শুভেচ্ছা।
পতাকা উত্তোলনের আগে বিজয়ের বাবা এসএ চন্দ্রশেখর, মা শোবা চন্দ্রশেখর এবং অভিনেত্রী তৃষা সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় বলেন, প্রশাসনিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তার সরকার সহযোগিতা করবে। তবে রাজ্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করে—এমন কোনো নীতির বিরোধিতা সবসময় করা হবে বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
তিনি জানান, দুর্নীতি দূর করাও এক ধরনের স্বাধীনতা। তার সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। সরকারি রাজস্ব যাতে ব্যক্তিবিশেষের হাতে চলে না যায়, তা ঠেকানো হয়েছে এবং সব বিভাগ থেকে দুর্নীতি নির্মূলে ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করা শক্তিগুলোকে পরাজিত করা হবে এবং সরকারকে ঘিরে যেকোনো ষড়যন্ত্রও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।
জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বিষয়ে বিজয় জানান, আগের সরকারগুলোর চালু করা জনগণের উপকারী প্রকল্পগুলোও তার সরকার অব্যাহত রাখবে। এর মধ্যে এআইএডিএমকের ‘আম্মা ক্যান্টিন’ এবং ডিএমকের স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য সকালের নাশতার প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
আগামী *১৫ সেপ্টেম্বর দ্রাবিড় আন্দোলনের নেতা সি এন আন্নাদুরাইয়ের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য ‘থাইমামান থাঙ্গা মোথিরাম’ নামে স্বর্ণের আংটি দেওয়ার প্রকল্প চালু করা হবে বলেও জানান বিজয়। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি।
বিজয় জানান, জনগণ জাতপাত ও ধর্মের বিভেদ এবং অর্থ ও পেশিশক্তির রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে তার সরকারকে সমর্থন করেছে। তিনি দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার এবং জনগণের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া সাবেক সেনাসদস্যদের মেয়েদের বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার রুপি করার ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিবন্ধী সাবেক সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারের মাসিক সহায়তা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭ হাজার রুপি করা হবে বলেও জানান।
সেইসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের পেনশন ২৩ হাজার রুপি এবং পারিবারিক পেনশন ১২ হাজার ৫০০ রুপি করার ঘোষণাও দেন তামিলনাড়ুর এ মুখ্যমন্ত্রী।
