স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে দলটি দুটি যন্ত্রচালিত নৌকায় করে বড়পাথর এলাকায় ঘুরতে বের হয়। এ সময় সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে একটি নৌকা ডুবে যায়। নৌকায় থাকা অন্য যাত্রীরা সাঁতরে বা স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মাহিয়ান নদীর স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে থানচি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। তবে নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধান না মেলায় চট্টগ্রাম থেকে বিশেষ ডুবুরি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। শনিবার সকালে ডুবুরি দলের সদস্যরা থানচির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা রহিদুর রহমান জানান, স্থানীয়ভাবে তল্লাশি চালিয়েও নিখোঁজ পর্যটককে পাওয়া যায়নি। ডুবুরি দল পৌঁছানোর পর নদীতে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।
এদিকে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার জানান, পর্যটক দলটি হ্যাবল ত্রিপুরা নামের একজন গাইডের সহায়তায় আলীকদম হয়ে তিন্দুতে যায়। থানচি হয়ে তারা প্রবেশ না করায় তাদের ভ্রমণসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পুলিশের কাছে ছিল না। এছাড়া তিন্দু এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত থাকায় উদ্ধার কার্যক্রমের সমন্বয়েও কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
