অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নতুন বহরে থাকবে ১৫টি অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ৬টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ। প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে বছরে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ যাত্রীকে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল বেসামরিক বিমান চলাচল বাজারগুলোর একটি হলেও আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহণের বড় অংশ এখনও বিদেশি এয়ারলাইনসের দখলে। তিনি জানান, ইউরোপ, ওশেনিয়া ও উত্তর আমেরিকায় সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে আরও ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া, দেশের এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে নিজস্ব অর্থায়নে ২০০ জন পাইলট ও ১০০ জন সার্টিফায়েড এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। বোয়িং ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি দেশের বিমান পরিবহণ, পর্যটন ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
