প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 27, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 25, 2026 ইং
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ, যুবকের শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা)
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নবম শ্রেণির এক কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন সম্পর্ক ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে ইয়াছিন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ওই যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল করেন এলাকাবাসী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট গ্রামের রাস্তার মাথায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পরিকোট গ্রামের আব্দুর রহিমের নাতি, হায়াতুন নবীর ছেলে ইয়াছিনের সঙ্গে একই এলাকার পিতাহারা এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর প্রায় সাত মাস ধরে সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। সে সুযোগে ইয়াছিন ওই কিশোরীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতেন এবং একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন।গত শুক্রবার সন্ধ্যায় আগের মতো ইয়াছিন তাকে বিয়ে করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে চৌদ্দগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফেলনা গ্রামের লোকজন তাদের আটক করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের এলাকাবাসীর হেফাজতে দেওয়া হয়।পরদিন শনিবার সকালে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে ইয়াছিন ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বলে তারা দাবি করেন। তবে পরে তিনি বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে অর্থের বিনিময়ে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
অন্যদিকে ইয়াছিনের দাদা আব্দুর রহিম কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দাকে সঙ্গে নিয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ইয়াছিনকে দিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন, অভিযোগের পর পুলিশ উপপরিদর্শক সাহেদ আলম ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে এসে তাদের হুমকি-ধামকি দিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী নারী বলেন...
মানববন্ধনে বক্তব্যে ভুক্তভোগীর জ্যাঠা বিল্লাল হোসেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের পরিচালক আবুল খায়ের আবু, রিপন মোল্লা ও ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক মোল্লা বলেন...
এসময়রমানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি মাওলানা আব্দুল মালেক, সমাজপতি রফিকুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, হুমায়ুন কবির, শাহ আলম, নুরুল ইসলাম-সহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহিনুর ইসলাম বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যে।একটি ছেলে থানায়নঅভিযোগ করেছে তাকে আটকে রেখে এলাকাবাসী আট লাখ টাকা ছেয়েছেন।সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে।ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করলে ধর্ষণের মামলা নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক নেইবার, প্রিন্স মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান