মোহসেন পাকনেজাদ বলেন, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফারস প্রদেশে নতুন একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এতে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনযোগ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, নতুন এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ফলে ইরানের জাতীয় জ্বালানি মজুত আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। নতুন গ্যাসের মজুত খুঁজে বের করা ও উত্তোলনের জন্য দেশটির চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই আবিষ্কার হয়েছে।পাকনেজাদের দাবি, নতুন গ্যাসক্ষেত্রে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ ইরানের অন্যতম বৃহৎ সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি ধাপকে প্রায় ১৫ বছর চালানোর মতো।
নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসকে তিনি ‘সুইট গ্যাস’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতে ক্ষতিকর সালফারের পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকায় গ্যাসক্ষেত্রটির উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় কম হতে পারে বলে জানান তিনি।এ ছাড়া নতুন গ্যাসক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেট রয়েছে। গ্যাসের পাশাপাশি এসব কনডেনসেট থেকেও ইরান আগামী দিনে কয়েক হাজার কোটি ডলারের অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে বলে জানান তেল-বিষয়কমন্ত্রী।
