প্রস্তাবিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের জন্য ‘যুক্তিসংগত পদক্ষেপ’ নিতে বলা হবে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান অ্যাকাউন্টের তথ্য, মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্র ব্যবহারের সুযোগ রাখা হতে পারে।
তবে বিলটি পার্লামেন্টে পাস করার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন পাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। লাক্সনের জোটের অন্যতম শরিক নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত আইনের বিরোধিতা করার কথা জানিয়েছে।
দলটির নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, প্রস্তাবিত আইন এবং এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তার মতে, এ ধরনের আইন দেশকে এমন একটি পথে নিয়ে যেতে পারে, যার পরিণতি পরে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।
গত বছরের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর মাধ্যমে দেশটি বিশ্বে প্রথমবারের মতো এ ধরনের জাতীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে। টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হয়।
তবে পিটার্স অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতাকে ‘বড় ধরনের ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখার প্রধান দায়িত্ব বাবা-মায়ের।
অন্যদিকে লাক্সন স্বীকার করেছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে না। সব শিশুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। অনেকেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় খুঁজে নিতে পারে। তারপরও শিশুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়টি এত গুরুত্বপূর্ণ যে সরকারকে অন্তত উদ্যোগটি নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সূত্র: গার্ডিয়ান
