আইনমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না। আমরা যদি সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারি, তাহলেই সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজাসহ কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করতে পারবেন।
মন্ত্রী বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি কিংবা ভোটের রাজনীতি করা থেকে সবাইকে সরে আসতে হবে। জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতিই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের ভূমি দখলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, মন্দিরের দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। কোনো ভূমিদস্যু, দুর্বৃত্ত বা মাফিয়া চক্রের কাছে মন্দিরের সম্পত্তি স্থায়ীভাবে দখলে থাকতে দেওয়া হবে না। তিনি এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব, সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পাল এবং ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
