ঢাকা | বঙ্গাব্দ

শিক্ষা মন্ত্রী ও ডিজির বিরুদ্ধে সেলিম ভূইয়াদের ডিজিটাল মব!

  • নিজস্ব প্রতিবেদক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 27, 2026 ইং
শিক্ষা মন্ত্রী ও ডিজির বিরুদ্ধে সেলিম ভূইয়াদের ডিজিটাল মব! ছবির ক্যাপশন:

শিক্ষার্থীরা এখন পড়ার টেবিল মুখী, আটোপাশের ইতি, শিক্ষকদের জবাবদিহিতা সহ সর্বপরি শিক্ষা ব্যাবস্হার ঘুরে দাঁড়ানের প্রচেষ্টা নৎসাতে চলছে ডিজিটাল মব। যা মোকাবেলা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।' ঘরের শত্রু বিভীষণ' এই চক্রান্তে সম্পৃক্ত থাকায় বিষয়টি বেশ জটিল আকার ধারণ করেছে। গত ২২ আগষ্ট মন্ত্রীসভা রদবদলে তারা শিক্ষা  মন্ত্রী মিলনের বিদায় নিশ্চিত করে। নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য নাকি শিক্ষক নেতা এমপি সেলিম ভূইয়া গলায় টাই পড়ে প্রতীক্ষায় ছিলেন। কিন্তু ষড়যন্ত্রের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিকই উপলব্ধি করতে সক্ষম হন।

উল্লেখ্য, রাজধানীর মিরপুরস্থ মনিপুর স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির তালিকায় দৈনিক দিনকালের সাংবাদিক মানিককের অন্তর্ভুক্তি হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সুপারিশে। অথচ এ নিয়ে খোদ মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়ায়  ৫০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ। 

বহুল আলোচিত গোয়েন্দা সাংবাদিক একরামুল  হকের শীর্ষ  নিউজের অনলাইন ভার্সনে এনিয়ে রীতিমতো ডিডিটাল মব। যা দেখে রীতিমত বিব্রত হন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 

শিক্ষা মন্ত্রী মিলনের একমাত্র মেয়ে তানজিদার মাথায় বৃষ্টির পানি পড়লে জ্বর আসে। তাই তিনি নিজের মেয়েকে ফার্মের মুরগির সাথে  তুলনা করে প্রসঙ্গক্রমে কথা বলেন ঢাকা সিটি কলেজের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে। 

ব্যাস, শুরু হলো ডিজিটাল মব।  প্রোপাগান্ডা,  বিক্ষোভ, মিছিল, লংমার্চ চালিয়ে বিষয়টি  শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পর্যন্ত গড়ায়। যা পরবর্তীতে ছয় দফা দাবিতেও রূপ নেয়। 

জানা গেছে, এই কৃত্রিম ডিজিটাল মব সৃষ্টির নেপথ্যে কলকাঠি নেড়ে শিক্ষা মন্ত্রী তথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নে লিপ্ত ছিলেন বহুল আলোচিত শিক্ষক নেতা, নবাগত এমপি সেলিম ভূইয়া গং।

জানাগেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বদলীর তদবির বাণিজ্য ও ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের নীল নকশা প্রণয়ন করেছিলো শিক্ষক সমিতির কতিপয় প্রভাবশালী নেতা। কিন্তু তাদের এসব প্রস্তাব গুরুত্ব না দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন অটো সফটওয়্যারে বদলী ও এনটিআরসিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেন।

মামলা জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে প্রায় অর্ধলক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগে পথ সুগম করেন। শিক্ষকের পেনশন ভাতার জটিলতা নিরসন ও স্বতন্ত্র পেস্কের পদক্ষেপ নেন।

সরকারের  ছয় মাসের কর্মকান্ডে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এহেন ইতিবাচক পরিবর্তন সাধনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কুচক্রী মহল সহজভাবে মেনে নিতে পারছেনা। কারন আমাদের  শিক্ষা ব্যাবস্হার বারোটা বাজাতে বিগত ১৬ বছর তারা যথেষ্ট ভুমিকা রাখে। 

কিন্তু এখন শিক্ষা মন্ত্রী মিলন ও মাউশির মহাপরিচালক খান মাইনুদ্দিন সোহেলের ইতিবাচক পদক্ষেপে তাদের গাত্রদাহের যত কারন।

তাই শিক্ষা ব্যাবস্হার অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিতে টার্ম কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয় তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষক সমিতির নেতাদের। তাদের মাধ্যমে  সোশ্যাল মিডিয়ায় চালানো হয় মন্ত্রী মিলন ও ডিজি সোহেলের বিরুদ্ধে  ডিজিটাল মব।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের নেপথ্য   সক্রিয জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এই চক্রটি সম্পর্কে সরকারের গোয়েন্দা সংস্হাগুলোর হাতে এসেছে গোপন তথ্য উপাত্ত।  যাতে  রাজনীতিবিদ,শিক্ষক  নেতা, কোচিং ও গাইড বই চক্রও জড়িত

প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স
Logo

শিক্ষা মন্ত্রী ও ডিজির বিরুদ্ধে সেলিম ভূইয়াদের ডিজিটাল মব!

dailyneighbour.com
নিউজ লিংক কমেন্টে
Aug 27, 2026