তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ৬৫ বছর বয়সি ইউন। তার দাবি, তিনি কখনোই এই ধরনের কোনো জরিপের অনুরোধ করেননি এবং এর বিনিময়ে কাউকে কোনো সুবিধাদানের প্রতিশ্রুতিও দেননি। সোমবারের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।এর আগে সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কোন-হি-এর সাথে জড়িত একটি মামলায় আদালত জানিয়েছিল, এই জরিপ সেবার পেছনে কোনো স্বার্থের লেনদেন বা ‘কুইড প্রো কু’ ছিল না। তবে সোমবার ইউনের ক্ষেত্রে আদালতের এই সিদ্ধান্ত পূর্ববর্তী রায় থেকে ভিন্ন হলো।
উল্লেখ্য, সাবেক এই কোরিয়ান প্রেসিডেন্ট বর্তমানে মোট আটটি আইনি মামলার মুখোমুখি আছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আকস্মিক ও স্বল্পমেয়াদী সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মাস্টারমাইন্ড বা মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যার বিরুদ্ধে তিনি বর্তমানে আপিল করছেন।
এছাড়া, তাকে গ্রেফতার করতে আসা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট তার আরও একটি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে।
সূত্র: রয়টার্স।
