মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আজকের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারে আমি অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি বলেন, জাপানপ্রবাসী প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি ছাত্র, শ্রমিক ও অভিবাসীদের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা ফ্লাইটটি চালু করেছি। ফ্লাইটটি যাতে আর কখনোই বন্ধ না হয় সেজন্য ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৮০ সালে উড়োজাহাজ স্বল্পতা থাকা স্বত্বেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক সুদৃঢ় করার জন্য ঢাকা - নারিতা ফ্লাইট চালু করেছিলেন। আজ আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ফ্লাইটটি যাত্রী সাধারণের জন্য পুনরায় চালু করলাম।
এরপর মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর আবারও চালু হলো এই রুট। আজ ২৭ জুলাই রাত ২ টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৭৬ ফ্লাইটটি জাপানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
