এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া সিরিয়াকে নতুন করে গড়ে তুলতে দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগ আনা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ২০০৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে সিরিয়ার রাজনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। এবার সেই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ সিরিয়ার ওপর থেকে অর্থসংক্রান্ত নানা কড়াকড়ি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিল। সিরিয়ার সংকটকালে পাশে থাকা বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রেসিডেন্ট শারা।আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে সিরিয়ার আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর বড় পথ খুলে গেল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ায় বেসরকারি খাতের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের বড় বাধাগুলো দূর হলো, যা সিরিয়ার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে দারুণ কাজ করবে।
নতুন সিরীয় সরকারও বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছে। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি এটিকে একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যা দেন। অন্যদিকে, দেশটির অর্থ ও বাণিজ্য খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে সিরিয়ায় বৈশ্বিক অর্থায়ন, আধুনিক প্রযুক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগের ঢল নামবে, যা সাধারণ সিরীয় মানুষের জীবনেও আনবে ইতিবাচক পরিবর্তন।সূত্র: আল-আরাবিয়া।
