দ্য সান’-এর তথ্য অনুযায়ী, টিভিআই চ্যানেলের অনুষ্ঠান ‘দোইস আস দেজ’-এ রোনালদোর পরিবারের অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনার সময় এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন পর্তুগিজ উপস্থাপিকা ক্রিস্টিনা ফেরেইরা। তিনি বলেন, ‘এটা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করবে, কারণ পরিবার সেখানে উপস্থিত ছিল না।’ এরপর তিনি ইঙ্গিত দেন, বিয়ের কথা শুরু হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্তও হয়তো তারা জানতেন না এই অনুষ্ঠানের কথা।
ফেরেইরা বলেন, ‘তাদের হয়তো জানারই কথা ছিল না। অথবা যদি জেনেও থাকেন, সেটা ছিল মাত্র ৩০ সেকেন্ড আগে।’
তবে ফেরেইরার এই মন্তব্য একটি দাবি মাত্র, এটি রোনালদো বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা কোনো তথ্য নয়। তার সহ-উপস্থাপক ক্লদিও রামোস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা বিষয়বস্তু থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
রামোস বলেন, ‘আমি সত্যিই আশা করি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা দেখেছি তার ভিত্তিতে আমরা এখানে যা বলেছি, তা যেন পরিবারের মধ্যে প্রকৃত দুঃখের কারণ না হয়ে থাকে। আশা করি বিষয়গুলো যেমনটা দেখাচ্ছে, বাস্তবে তেমন নাও হতে পারে।’
এই দাবি সামনে আসে ‘জর্নাল দে নতিসিয়াস’ পত্রিকা দম্পতির বিয়ের সনদ সংগ্রহ ও প্রকাশ করার পর। এতেই প্রথমবারের মতো বিস্তারিতভাবে জানা যায়, অনুষ্ঠানে আসলে কারা উপস্থিত ছিলেন।
নথিতে রোনালদোর দীর্ঘদিনের বন্ধু মিগেল পাইশাও, জর্জিনার বোন ইভানা রদ্রিগেজ এবং স্প্যানিশ জুয়েলার হোসে রদ্রিগেজ সাংগিল ও তার স্ত্রী মনিকা গঞ্জালেজ মার্টিনেজের নাম উল্লেখ করা হয়। এই চারজনই ছিলেন অনুষ্ঠানের সাক্ষী। এই তালিকায় ছিলেন না রোনালদোর মা এবং তার তিন ভাইবোন।
এই অনুপস্থিতি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে, কারণ রোনালদো ও রদ্রিগেজের বিয়ের ঘোষণার পর প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন দোলোরেস। বিয়ের আংটি পরা ছবি সংবলিত ছেলের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে হৃদয় চিহ্ন দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন তিনি।
তাই এই বিয়ে নিয়ে দোলোরেসের নিজের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তির প্রকাশ্য ইঙ্গিত নেই। তবে ওই উপস্থাপিকার মন্তব্য একটি ভিন্ন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছে। সেটি হলো, অনুষ্ঠানটি এতটাই নিয়ন্ত্রিতভাবে আয়োজন করা হয়েছিল যে রোনালদোর পরিবারও হয়তো একেবারে শেষ মুহূর্তে এই খবর জানতে পেরেছিল।
