তিনি বলেন, তাই সরকারের ১৮০ দিনের কথা বলতে গেলে তাদের দলীয় নির্বাচনি ইশতেহারের চেয়েও আমার বা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ জুলাইয়ের ইশতেহার, জুলাইয়ের ওয়াদা। এসব বলা শুরু করলেই উনারা জুলাইয়ের চেতনার ব্যবসা বলে কাউন্টার দেওয়ার চেষ্টা করেন, খুব একটা লাভ হয় না। সুতরাং সিস্টেম পরিবর্তনের দিকে এই সরকার কতটুকু যাচ্ছে বা মিনিমাম আগ্রহ দেখাচ্ছে কিনা সেটাই মুখ্য আমাদের কাছে, ঠিক গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের থেকে। চরম হতাশা সেখানে। এনসিপির সাবেক এ নেত্রী বলেন, বিভিন্ন কার্ড, খাল খনন ইত্যাদির তারিফ করি, কিন্তু ঠিক যখন মানুষ রান্নার জন্য গ্যাস পাচ্ছে না, বিদ্যুৎ নাই- অসহনীয় দুর্ভোগে জ্বালানির ধাক্কায় যাতায়াত ভাড়া বেশি, জিনিসের দাম বেশি, মাস শেষে আবার এই বিদ্যুৎ গ্যাসের বিল, ঠিক তখন কার্ড বিতরণ, খাল খনন গৌণ শোনায়, দেখায়। তার ওপর জুডিশিয়ারি, পুলিশ, মানবাধিকার, দুদক, স্থানীয় প্রশাসন সবকিছুতে দলীয়করণের চূড়ান্ত আয়োজন, ভীষণ হতাশার।
তাজনূভা বলেন, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়ে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উদ্যোগ নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ডেডলাইনসহ না বলে বরং একদিকে সেই পুরনো গ্যাস আমদানি নির্ভরতা বাড়াচ্ছে অন্যদিকে অলিগার্কদের ফেসিলিটেট করছে, সো কোথায় নতুনত্ব? কোথায় পরিবর্তনের উদ্যোগ? আমরাও জানি সংকট স্থায়ী সমাধানে সময় লাগবে কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশবাসীকে আশস্ত না করে ক্রাইসিসের সময় কার্ড বিতরণ বেশ বেমানান। অন্তত আমার কাছে। এটা ৬ মাসের সফলতা পরিমাপের মানদণ্ড হতে পারে না। পোস্টের শেষে তিনি বলেন, মাত্র ছয় মাস গেছে, আপনারা প্ল্যান পরিবর্তন করেন।
